জানুয়ারি ৪ : জাতীয় মুজাহিদ সংঘ পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের পৃথকীকরণ ও পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
মার্চ
মার্চ ৭ : ঢাকা শহরের রেসকোর্স ময়দান এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক জনসভায় তার ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এ ভাষণে সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলেও তিনি জনগণকে য়ুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
মার্চ ২৪ : জেনারেল ইয়াহিয়া খান বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। তার সাথে বাংলাদেশে বসবাসরত অনেক পাকিস্তানী নাগরিক পাকিস্তান চলে যায়। বাংলাদেশী নাগরিকদের বিমান বন্দরে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ থাকে।
মার্চ ২৫ : এই দিন দিবাগত রাতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ঢাকা সহ সারা দেশে বাঙ্গালীদের উপর আক্রমণ শুরু করে। ইতিহাসে তা অপারেশন সার্চলাইট নামে পরিচিত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।
মার্চ ২৬ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর পক্ষে আওয়ামী লীগের নেতা জনাব আব্দুল হান্নান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠ করেন।
মার্চ ২৭ : মেজর জিয়াউর রহমানকালুরঘাট বেতার কেন্দ্র দখল করেন এবং সেখান থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা দেন। এই ঘোষণা শুনেই বাংলাদেশের সাধারণ জনতা বুঝতে পারে যে দেশ স্বাধীন এবং এখন লক্ষ্য হচ্ছে বিজয় অর্জন। দেশবাসী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।
এপ্রিল ১৭ : মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরের বৈদ্যনাথতলায় স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি ও মণ্ত্রীরা শপথ গ্রহন করে।
ডিসেম্বর
ডিসেম্বর ৩ : বাংলাদেশ ভারত যৌথ বাহিনী গঠিত হয় এবং ভারতীয় সৈন্যরা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ শুরু করে।
ডিসেম্বর ১৪ : যুদ্ধে পরাজয় নিশ্চত বুঝতে পেরে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীদেরকে হত্যা করে। এ দিনটিকে বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
ডিসেম্বর ১৬ : বিকাল ৫ টা ৩০ মিনিটে রমনা রেস্কোর্স মাঠে মিত্র বাহিনীর প্রধান জগজিৎ সিং অরোরা'র কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান সেনাপতি জেনারেল এ কে খান নিয়াজী আত্মসমর্পণ করেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে এ সময় বিমান বাহিনী প্রধান এ কে খন্দকার (তৎকালীন গ্রুপ ক্যাপ্টেন) উপস্থিত ছিলেন।